শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

ভালবেসে বিয়ে করেও যৌতুকের দায়ে ঘর বাধা হলো না

ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ যৌতুক নারী সমাজের জন্য একটি মারাক্তক অভিশাপ,এই অভিশাপের থাবায় পরে শত শত নারীরা হচ্ছে সর্বশান্ত ও ভিটে মাটি ছাড়া। কেউবা অকালে ঝড়ে পরছে,্ আবার কেউবা ঘুড়ে দ্বাড়িয়ে আদালতে অথবা থানায় মামলা করছে। কিন্তু আদালতের বারান্দায়ু ঘুড়তে ঘুড়তে অনেকেই হাল ছেড়ে দিচ্ছে। আবার কেউবা সঠিক বিচার পেয়ে ঘর-নংসার করছে।

বর্তমানে যৌতুক নিরোধ আইন থাকলেও তা সঠিক ভাবে প্রয়োগ হচ্ছেনা।এমনি ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ে রিয়া ও পলাশের বিয়ে হলেও যৌতুকের দায়ে রিয়ার ঘর বাধা হলোনা। সিরাজগজ্ঞ জেলার সুনিল হালদারের সুন্দরী মেয়ে রিয়া হালদার,দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার শ্যামপুর কলেজ পাড়ার অনিলের ছেলে পলাশ চন্দ্রকে ভালবেসে বিয়ে করেছিল। বিয়ের দুইমাস যেতে না যেতেই ছেলের বাবা ৫ লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে মেয়ের বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়।এ দিকে মেয়ে বাবা যৌতুকের ৫ লাখ টাকা যোগার করতে না,ছেলেপহ্মর কাছে সময় চান।

এতে ছেলে পহ্ম মেয়ে পহ্ম সাব জানিয়ে দেয় ৫লাখ টাকা না দিলে মেয়েকে নিয়ে পলাশ ঘর সংসার করবেনা। এ কথা শুনে রিয়া নিরুপায় হয়ে বাবার বাড়ী ছেড়ে স্বামীর বাড়ীতে আসলে, রিয়াকে স্বামীর বাড়ীতে ঢুকতে দেয়না। রিয়া স্বামীকে পাওয়ার আসায়,স্বামীর বাড়ীর দরজার সামনে দুই দিন ধরে অনাশন পালন করেন। অবশেষে এলাকাবাসিসহ ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম রিয়াকে তার স্বামীর দরজান সামন থেকে থানায় ডেকে শালিশ বৈঠকের মাধ্যমে স্বামী পলাশের হাতে রিয়াকে সপর্দ্দ করেন। সেখান থেকে পলাশ তার বাবার যৌতুকের চাহিদার ভয়ে অন্যত্রে বাসা ভাড়া নিয়ে সুখিনির বাধার আসায় বসবাস করতে থাকে।এমন সময় কালবৈশাখি ঝর এসে নন্ড ভন্ড হয়ে যায় রিয়ার সংসার।পলাশের বাবা ছেলেকে ক-ুপরামর্শ দিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেন এবং রিয়ার বাবার উপর যৌতুকের চাপ সৃষ্টি করছে বলে এলাকা বাসি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com